টিম রিভিউ:লাতিন আমেরিকার সর্ববৃহৎ দেশ তথা সাম্বা সংস্কৃতির উৎস হিসেবে সারা বিশ্বে
পরিচিতি লাভ করা পাঁচবারের বিশ্বজয়ী ব্রাজিল এবারেও বিশ্বকাপের "হট ফেভারিট"। সর্বোত্তম
কফি,ক্রাইস্ট দ্য রিডিমার,বিখ্যাত কার্নিভাল
ফেস্টিভ্যালের জন্য সারা বিশ্বে সমাদৃত হলেও ফুটবলেও সমানভাবে জনপ্রিয়। ব্রাজিলের
প্রায় প্রতি শহরে স্টেডিয়ামের উপস্থিতি,গলি ফুটবলের জনপ্রিয়তা,জনগণের ফুটবলের
প্রতি অকৃত্রিম আবেগের জন্য ফুটবলকে ব্রাজিলীয়
সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ বললেও এতটুকুও বেশী বলা হবে না। এ অবদি বিশ্বফুটবলকে
অনেক কিংবদন্তী খেলোয়াড় উপহার দিয়েছে।জিকো,রোনাল্ডো,পেলে,সক্রেটিস,রোমারিও তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য নাম।আসন্ন রুশ বিশ্বকাপের যোগ্যতাঅর্জন পর্বেও
রীতিমত স্বভাবসুলভ দাপট দেখিয়ে ১৮ ম্যাচের মধ্যে ১২টি ম্যাচ জিতে গ্রুপের শীর্ষস্থান
দখল করে সরাসরি বিশ্বকাপের ছাড়পত্র আদায় করে নিয়েছে।
বিশ্বকাপে ব্রাজিল: "ক্যানারিনহো"রাই বিশ্বফুটবলে একমাত্র দেশ,যারা এ অবদি সবকটি বিশ্বকাপেই অংশগ্রহণ
করেছে।২০১৮ রাশিয়া বিশ্বকাপও যার ব্যতিক্রম হয়নি। ব্রাজিলই একমাত্র জাতীয় দল,যারা চারটি মহাদেশে
বিশ্বকাপ জয় করেছে; ইউরোপে ১বার(১৯৫৮ সুইডেন), উত্তর আমেরিকায় ২বার(১৯৭০ মেক্সিকো,১৯৯৪ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র),দক্ষিণ আমেরিকায়
১বার(১৯৬২ চিলি),এশিয়ায় ১বার(২০০২ জাপান/দক্ষিণ কোরিয়া)।এছাড়াও,১৯৩০ থেকে ১৯৭০ সাল অবদি ৩বার চ্যাম্পিয়ন হওয়ায় পাকাপাকিভাবে জুলস রিমেট কাপ ব্রাজিল
অর্জন করে।এবার একনজরে দেখে নেওয়া যাক বিশ্বকাপে ব্রাজিলের কৃতিত্ব---
|
বছর
|
রাউন্ড
|
স্থান
|
|
১৯৩০
|
গ্রুপস্টেজ
|
ষষ্ঠ
|
|
১৯৩৪
|
রাউন্ড
১
|
চতুর্দশ
|
|
১৯৩৮
|
তৃতীয় স্থান
|
তৃতীয় স্থান
|
|
১৯৫০
|
রানার্স আপ
|
দ্বিতীয় স্থান
|
|
১৯৫৪
|
কোয়ার্টার ফাইনাল
|
পঞ্চম স্থান
|
|
১৯৫৮
|
চ্যাম্পিয়ন
|
প্রথম স্থান
|
|
১৯৬২
|
চ্যাম্পিয়ন
|
প্রথম স্থান
|
|
১৯৬৬
|
গ্রুপস্টেজ
|
একাদশ স্থান
|
|
১৯৭০
|
চ্যাম্পিয়ন
|
প্রথম স্থান
|
|
১৯৭৪
|
চতুর্থ স্থান
|
চতুর্থ স্থান
|
|
১৯৭৮
|
তৃতীয় স্থান
|
তৃতীয় স্থান
|
|
১৯৮২
|
রাউন্ড
২
|
পঞ্চম স্থান
|
|
১৯৮৬
|
কোয়ার্টার
ফাইনাল
|
পঞ্চম স্থান
|
|
১৯৯০
|
রাউন্ড
অফ ১৬
|
নবম স্থান
|
|
১৯৯৪
|
চ্যাম্পিয়ন
|
প্রথম স্থান
|
|
১৯৯৮
|
রানার্স আপ
|
দ্বিতীয় স্থান
|
|
২০০২
|
চ্যাম্পিয়ন
|
প্রথম স্থান
|
|
২০০৬
|
কোয়ার্টার ফাইনাল
|
পঞ্চম স্থান
|
|
২০১০
|
কোয়ার্টার ফাইনাল
|
ষষ্ঠ স্থান
|
|
২০১৪
|
চতুর্থ স্থান
|
চতুর্থ স্থান
|
(বি.দ্র. : ২০১৮ সালের বিশ্বকাপ
এখনও অনুষ্ঠিত হয়নি)।
২০১৮ বিশ্বকাপে গ্রুপবিন্যাস: ব্রাজিল,সার্বিয়া,কোস্টারিকা, সুইজারল্যান্ড।
এবার একনজরে দেখে নেওয়া যাক ব্রাজিলের জাতীয় ফুটবল দলের
যাবতীয় খুঁটিনাটি---
কোচ:
নাম- অ্যাডেনর
লিওনার্দো বাচ্চি(টিটে)।
খেলোয়াড় জীবন- মূলত ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার পজিশনে খেলতেন তিনি। ব্রাজিলীয় ক্লাব ক্যাক্সিয়াস
এ খেলোয়াড় জীবন শুরু তাঁর।এরপর স্পোর্টিভো,পর্তুগিসা,গুয়ারানি ক্লাবে খেলেন তিনি। যদিও, হাঁটুতে চোটের জন্য তাঁর খেলোয়াড় জীবন ২৭ বছরের বেশি দীর্ঘায়িত হয়নি।
কোচিং কেরিয়ার- টিটে তাঁর কোচিং কেরিয়ার গ্যারিবল্ডী
শহর থেকে শুরু করলেও, তাঁর প্রথম সাফল্য আসে ক্যাক্সিয়াসে কোচিং করিয়ে। তাঁর অধীনে ২০০০
সালে রোনাল্ডিনহোর গ্রেমিওকে হারিয়ে ক্যাম্পেওনাটো গাউচো চ্যাম্পিয়ন হয় ক্যাক্সিয়াস।পরবর্তীতে,২০০১
সালে গ্রেমিও তে এসে কোপা ডো ব্রাজিল ২০০১ সালে জিতে নেন।এছাড়াও, ইন্টারন্যাশিওনাল
কে ২০০৮ সালে কোপা সুদামেরিকানা চ্যাম্পিয়ন করেন এবং তাঁর প্রশিক্ষণে ২০১২
সালে চেলসির মত দলকে হারিয়ে ফিফা ক্লাব ওয়ার্ল্ড কাপ চ্যাম্পিয়ন হয় করিন্থিয়াস।
এছাড়াও, আল আইন,পালমেইরাস,অ্যাটলেটিকো মিনেইরো র মত ক্লাবকে কোচিং করিয়েছেন তিনি। ২০১৬ সাল থেকে দুঙ্গাকে
সরিয়ে তিনি ব্রাজিলের জাতীয় ফুটবল দলের দায়িত্বে রয়েছেন।
বিশেষত্ব- টিটে তাঁর বাগ্মীতা,অলঙ্করণশাস্ত্র,ব্যবহারের
জন্য সুপরিচিত।
সম্ভাব্য স্কোয়াড:
|
পজিশন
|
খেলোয়াড়ের নাম
|
বর্তমান
ক্লাব
|
সদ্যসমাপ্ত মরশুমে
পারফরমেন্স(সব প্রতিযোগিতা ধরে)
|
|
গোলরক্ষক
|
অ্যালিসন বেকার
|
এ এস রোমা
|
৪৯ ম্যাচে ২২ সেভ
|
|
|
ক্যাসিও
রামোস
|
করিন্থিয়াস
|
১০ ম্যাচে ৫ সেভ
|
|
|
এডারসন
মোরায়েস
|
ম্যাঞ্চেস্টার
সিটি
|
৪৫ ম্যাচে ২১ সেভ
|
|
রক্ষণ(সেন্ট্রাল
ডিফেন্স)
|
থিয়াগো
সিলভা
|
প্যারিস
সেইন্ট জার্মেইন
|
৪১ ম্যাচে ১গোল, ২৯ ব্লকিং,২৮ ইন্টারসেপশন
|
|
|
মারকুইনহোস
কোরেয়া
|
প্যারিস
সেইন্ট জার্মেইন
|
৪২ ম্যাচে ১ গোল,৩ অ্যাসিস্ট,৩২ ব্লকিং,২৮ ইন্টারসেপশন
|
|
|
জোয়াও
মিরান্ডা
|
ইন্টার
মিলান
|
৪০ ম্যাচে ১ গোল,৪৮ ইন্টারসেপশন,২৮ ব্লকিং
|
|
|
পেড্রো
জেরোমেল
|
গ্রেমিও
|
১২ ম্যাচে ১ অ্যাসিস্ট
|
|
রক্ষণ(রাইট ফুলব্যাক)
|
ফ্যাগনার
লেমোস
|
করিন্থিয়াস
|
৮ ম্যাচে ১
অ্যাসিস্ট,১০ ইন্টারসেপশন,৮ ব্লকিং
|
|
|
দানিলো
সিলভা
|
ম্যাঞ্চেস্টার
সিটি
|
৪১ ম্যাচে ৩
গোল,২ অ্যাসিস্ট,৭৮ ট্যাকল
|
|
রক্ষণ(লেফট ফুলব্যাক)
|
ফিলিপে
লুইস
|
অ্যাটলেটিকো
মাদ্রিদ
|
৩৩ ম্যাচে ১ গোল,৩ অ্যাসিস্ট,৬৩ ইন্টারসেপশন
|
|
|
মার্সেলো
ভিয়েরা
|
রিয়াল
মাদ্রিদ
|
৪৫ ম্যাচে ৫ গোল,১০
অ্যাসিস্ট,৫৪ ইন্টারসেপশন
|
|
মাঝমাঠ (ডিফেন্সিভ মিডফিল্ড)
|
কার্লোস ক্যাসেমিরো
|
রিয়াল
মাদ্রিদ
|
৫২ ম্যাচে ৬ গোল,৩ অ্যাসিস্ট,১৯২ ট্যাকল
|
|
|
ফার্নান্দিনহো
|
ম্যাঞ্চেস্টার
সিটি
|
৫১ ম্যাচে ৫
গোল,৩ অ্যাসিস্ট,৯৭ ট্যাকল
|
|
মাঝমাঠ(সেন্ট্রাল মিডফিল্ড)
|
ফ্রেড
|
শাখতার
ডোনেৎস্ক
|
২২ ম্যাচে ২
গোল,১ অ্যাসিস্ট,১২৫০ পাস,৩৩ ইন্টারসেপশন
|
|
|
পলিনহো
বেজেরা
|
এফ সি
বার্সেলোনা
|
৫৪ ম্যাচে ১২
গোল,২ অ্যাসিস্ট,৬৪ ট্যাকল
|
|
|
রেনাটো
অগাস্টো
|
বেজিং
গুওয়ান
|
১৩ ম্যাচে ৪
গোল,৫ অ্যাসিস্ট,১০৯২ পাস
|
|
মাঝমাঠ(অ্যাটাকিং মিডফিল্ড)
|
উইলিয়ান বর্জেস
|
চেলসি
এফ সি
|
৬১ ম্যাচে ১৪
গোল,৮ অ্যাসিস্ট,১৫৬৭ পাস
|
|
|
ফিলিপ্পে
কুটিনহো
|
এফ সি
বার্সেলোনা
|
৫০ ম্যাচে ২৬ গোল,১৩ অ্যাসিস্ট,২৩৫৫ পাস
|
|
আক্রমণভাগ(উইঙ্গার)
|
ডগলাস
কোস্তা
|
জুভেন্টাস
এফ সি
|
৫১ ম্যাচে ৭
গোল,১৩ অ্যাসিস্ট,৮১ গুরুত্বপূর্ণ পাস,১ শট/ম্যাচ
|
|
|
টাইসন
বার্সেলোস
|
শাখতার
ডোনেৎস্ক
|
২২ ম্যাচে ৬
গোল,১৮ গুরুত্বপূর্ণ পাস,২.১ শট/ম্যাচ
|
|
|
নেইমার
জুনিয়ার স্যান্টোস দ্য সিলভা
|
প্যারিস
সেইন্ট জার্মেইন
|
২৯ ম্যাচে ২৮ গোল,১৬ অ্যাসিস্ট,১৮৫৬ পাস,৪.৪ শট/ম্যাচ
|
|
আক্রমণভাগ(সেন্ট্রাল ফরোয়ার্ড)
|
গ্যাব্রয়েল
জেসাস
|
ম্যাঞ্চেস্টার
সিটি
|
৪৪ ম্যাচে ১৯ গোল,৩ অ্যাসিস্ট,১.৮ শট/ম্যাচ
|
|
|
রবার্তো
ফিরমিনো
|
লিভারপুল
এফ সি
|
৫৯ ম্যাচে ২৯ গোল,১৪ অ্যাসিস্ট,১৮৮৫ পাস,২.৫ শট/ম্যাচ
|
শক্তি: সকল বিভাগে
অভিজ্ঞ খেলোয়াড়ের উপস্থিতি ব্রাজিলকে অনেকটাই শক্তিশালী করেছে।তাছাড়াও, টিটের
প্রশিক্ষণে ব্রাজিল অনেক সংগঠিত ফুটবল খেলছে।
দূর্বলতা: অ্যান্টেরিয়র ক্রুশিয়েট লিগামেন্টে চোটের জন্য অভিজ্ঞ রাইট ফুলব্যাক দানি আলভেস
জাতীয় দল থেকে ছিটকে গেছেন। এছাড়াও,বেশ কিছু ফর্মে থাকা খেলোয়াড়, যেমন সেরি আ
র ক্লাব জুভেন্টাসের হয়ে সেরি আ এবং কোপা ইটালিয়া চ্যাম্পিয়ন
হওয়া লেফট ফুলব্যাক অ্যালেক্স স্যান্ড্রো,ইংলিশ ক্লাব চেলসির অভিজ্ঞ
খেলোয়াড় ডেভিড লুইজ, বুন্দেশলিগা চ্যাম্পিয়ন বায়ার্ন মিউনিখের রাইট ফুলব্যাক রাফিনহা
প্রভৃতি দের দলে না নেওয়া দলকে কিছুটা দূর্বল করবে,তা বলাই বাহুল্য।
নজরে---
১)নেইমার- ২০১৮ রাশিয়া বিশ্বকাপগামী ব্রাজিল জাতীয় দলের অলিখিত নেতা যে নেইমার,তা বোঝার জন্য বিশেষজ্ঞ
হবার দরকার পরে না। সদ্যসমাপ্ত মরশুমে বার্সেলোনা থেকে প্যারিস সেইন্ট জার্মেইনে বিতর্কিত
যোগদানের পর লিগ ওয়ান,উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ সব মিলিয়ে ২৯ ম্যাচে ২৮ গোল এবং ১৬ অ্যাসিস্ট করেছেন।এছাড়াও,প্যারিস
সেইন্ট জার্মেইনের লিগ ওয়ান পুনরুদ্ধার এবং কুপ দ্য লা লিগ,কুপ দ্য ফ্রান্স
জয়ের পেছনেও তার ২৩ ম্যাচে
২২ গোল এবং ১৪ অ্যাসিস্টের ভূমিকা অনস্বীকার্য।সদ্য গোড়ালির
চোট সারিয়ে ওঠা নেইমার আসন্ন বিশ্বকাপে কেমন পারফর্ম করেন এখন সেটাই দেখার।
২)কুটিনহো- বর্তমান ব্রাজিল জাতীয় দলের আক্রমণভাগের অনেকাংশই নির্ভর
করে থাকবে এই ব্রাজিলীয় ম্যাজিশিয়ানের পারফরমেন্সের ওপর। চলতি বছরে,জানুয়ারিতে লিভারপুল
থেকে বার্সেলোনায় তার বহুপ্রতীক্ষিত ট্রান্সফারের পর হাঁটুর চোটের জন্য সাময়িকভাবে
মাঠে নামতে না পারলেও,পরবর্তীতে লা লিগা,কোপা ডেল রে তে স্বভাবসুলভ পারফরমেন্স দিয়ে বার্সেলোনার হয়ে ২২
ম্যাচে ১০ গোল এবং ৬ অ্যাসিস্ট করে লা লিগা,কোপা ডেল রে
জিততে সাহায্য করেছেন।
৩)অ্যালিসন- এ এস রোমার হয়ে ২০১৭-১৮ মরশুমে তিনি সেরি আ তে ৩৭ ম্যাচে ১৭ টি
ক্লিনশিট রেখেছেন,যা সেরি আ তে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। তার জন্যই মূলত এ
এস রোমা, সেরি আ তে দ্বিতীয় সর্বনিম্ন গোল(২৮)খায়। এছাড়াও,উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগে কোয়ার্টার
ফাইনালে শক্তিশালী এফ সি বার্সেলোনা কে রিটার্ন লেগে ৩-০ ব্যবধানে
হারিয়ে সেমি-ফাইনালে পৌঁছানোর নেপথ্যে তার ভূমিকা উল্লেখযোগ্য।
৪)থিয়াগো সিলভা- ব্রাজিলীয় রক্ষণের নেতৃত্বের ব্যাটন এই অভিজ্ঞ ফুটবলারের হাতে থাকবে আসন্ন বিশ্বকাপে।বিগত
বছরগুলিতে ইউরোপের এসি মিলান,প্যারিস সেইন্ট জার্মেইনের মত দলে ধারাবাহিকভাবে
ভালো খেলে সেরি আ,লিগ ওয়ান,সুপারকোপা ইটালিয়ানার মত চ্যাম্পিয়নশিপ জেতা এই খেলোয়াড়ের ওপর ব্রাজিলের বিশ্বকাপ
ভাগ্য অনেকটাই নির্ভর করবে।
৫)ক্যাসেমিরো- রিয়াল মাদ্রিদের প্রথম একাদশে নিয়মিত খেলা এই ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার ব্রাজিলের
জাতীয় দলেরও এক গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। ক্লাব ফুটবলে রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে ২০১৫-১৬,২০১৬-১৭,২০১৭-১৮
মরশুমে টানা উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জিততে এবং ২০১৫-১৬,২০১৬-১৭ মরশুমে
ফিফা ক্লাব ওয়ার্ল্ড কাপ জিততেও সক্রিয়ভাবে সাহায্য করেছেন। ডিফেন্সিভ
মিডফিল্ড পজিশনে ফার্নান্দিনহো,ফ্রেড এর মত খেলোয়াড় থাকলেও মূলত ধারাবাহিকতার জন্যই টিটের দলে
প্রাধান্য পান তিনি।
সম্ভবনা: ফাইনাল।






No comments:
Post a Comment